📷 Munirul Hasan · CC BY-SA 4.0আলুটিলা গুহাAlutila Cave
⛰️ পাহাড়পাহাড়ের ভেতরের রহস্যময় সুড়ঙ্গ, টর্চ নিয়ে ঢুকতে হয়।
এক নজরে: খাগড়াছড়ি (Khagrachhari) চট্টগ্রাম বিভাগের একটি জেলা; ঘোরার সেরা সময় অক্টোবর-মার্চ, বর্ষায় ঝরনা দেখতে জুলাই-সেপ্টেম্বর; ঘুরতে ২ দিন লাগে; ঢাকা থেকে যেতে বাসে ৭-৮ ঘণ্টা।
সর্বশেষ আপডেট: অক্টোবর ২০২৬
খাগড়াছড়ি জেলায় কী দেখবেন, কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন আর কী খাবেন, এক পাতায়। ঘুরে এসে কোনো তথ্য ভুল পেলে সেই অংশের নিচে 👎 দিয়ে সঠিকটা লিখে পাঠান, ঠিক থাকলে 👍 দিন।
📷 Munirul Hasan · CC BY-SA 4.0পাহাড়ের ভেতরের রহস্যময় সুড়ঙ্গ, টর্চ নিয়ে ঢুকতে হয়।
মহালছড়ির পাহাড়ের সুন্দর ঝরনা, বর্ষায় সবচেয়ে সুন্দর।
📷 Biplobkgc · CC BY-SA 3.0মেঘের রাজ্য খ্যাত সাজেক, রাঙামাটি জেলায় হলেও খাগড়াছড়ি দিয়ে যাওয়া যায়।
খাগড়াছড়ির আদিবাসী গ্রাম ও ঝিরির প্রাকৃতিক দৃশ্য।
পাহাড়ি শহরের ঐতিহ্য, আদিবাসী বাজার ও সংস্কৃতি।
সব নম্বর সরকারি ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া, শেষ মিলিয়ে দেখা ৮ অক্টোবর ২০২৬। সব জরুরি নম্বর ও সূত্র
খাগড়াছড়ি ভ্রমণের সেরা সময় অক্টোবর-মার্চ, বর্ষায় ঝরনা দেখতে জুলাই-সেপ্টেম্বর।
ঢাকা থেকে খাগড়াছড়ি যাওয়ার উপায়: বাসে ৭-৮ ঘণ্টা (কলাবাগান/সায়েদাবাদ থেকে)।
খাগড়াছড়িতে দেখার মতো জায়গা: আলুটিলা গুহা, রিছাং ঝরনা, সাজেক ভ্যালি, তৈনী ঝরনা ও পাহাড়ি পথ এবং নুনছড়ি ও জেলা শহর।
খাগড়াছড়ি ঘুরতে ২ দিন লাগে।
খাগড়াছড়িতে থাকার ব্যবস্থা: সদরে সাধারণ হোটেল ৮০০-২০০০ টাকা (আনুমানিক), সাজেকে রিসোর্ট ১৫০০-৪০০০ টাকা (আনুমানিক)।
খাগড়াছড়ির বিখ্যাত খাবার: পাহাড়ি বাঁশের চুঙ্গা খাবার, আদিবাসী ভর্তা ও কাঁঠাল।
যেকোনো বিপদে ৯৯৯: পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস বা অ্যাম্বুলেন্স, কল ফ্রি। ট্যুরিস্ট পুলিশের ২৪ ঘণ্টার হেল্পলাইন ০১৩২০-২২২২২২, ফায়ার সার্ভিসের হটলাইন ১০২।
বিখ্যাত: পাহাড়ি বাঁশের চুঙ্গা খাবার, আদিবাসী ভর্তা ও কাঁঠাল
লোড হচ্ছে...
বিক্রেতারা নিজেরাই তথ্য দেন, আমরা যাচাই করি না। কেনার আগে নিজে নিশ্চিত হোন; ভুয়া বা আপত্তিকর কিছু দেখলে ⚑ রিপোর্ট করুন।
এই জেলায় হোটেল, রিসোর্ট বা ট্যুর গ্রুপ চালান? 💬 যুক্ত হতে হোয়াটসঅ্যাপ করুন