বালাসী ঘাটBalashi Ghat
🚣 নদীযমুনার পাড়ে পুরোনো ফেরিঘাট; নদীর বিশালতা আর চর।
এক নজরে: গাইবান্ধা (Gaibandha) রংপুর বিভাগের একটি জেলা; ঘোরার সেরা সময় নভেম্বর-ফেব্রুয়ারি; ঘুরতে ১ দিন লাগে; ঢাকা থেকে যেতে বাসে ৬-৭ ঘণ্টা।
সর্বশেষ আপডেট: অক্টোবর ২০২৬
গাইবান্ধা জেলায় কী দেখবেন, কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন আর কী খাবেন, এক পাতায়। ঘুরে এসে কোনো তথ্য ভুল পেলে সেই অংশের নিচে 👎 দিয়ে সঠিকটা লিখে পাঠান, ঠিক থাকলে 👍 দিন।
যমুনার পাড়ে পুরোনো ফেরিঘাট; নদীর বিশালতা আর চর।
কাশিম বাজারে স্থপতি কাশেফ চৌধুরীর বিশ্বখ্যাত আগা খান পুরস্কারজয়ী স্থাপত্য।
গোবিন্দগঞ্জে পুরোনো রাজবাড়ির ধ্বংসাবশেষ।
ফুলছড়ি থেকে নৌকায় চরের গ্রাম; চরজীবন দেখা।
গোবিন্দগঞ্জের রাজাহারে প্রাচীন দুর্গনগরীর ঢিবি; বৈশাখে মাসব্যাপী তীর্থমেলা বসে।
সাদুল্লাপুরের নলডাঙ্গায় লাহিড়ী জমিদারদের বাড়ির ধ্বংসাবশেষ; টিকে আছে দুটি মন্দির, কুয়া আর বিশাল পুকুর।
সময়সূচি বদলায়; টিকিট ও সময় দেখুন: eticket.railway.gov.bd · তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া
সব নম্বর সরকারি ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া, শেষ মিলিয়ে দেখা ৮ অক্টোবর ২০২৬। সব জরুরি নম্বর ও সূত্র
গাইবান্ধা ভ্রমণের সেরা সময় নভেম্বর-ফেব্রুয়ারি।
ঢাকা থেকে গাইবান্ধা যাওয়ার উপায়: বাসে ৬-৭ ঘণ্টা (গাবতলী থেকে), ট্রেনে ৭-৮ ঘণ্টা। ঢাকা থেকে যেসব ট্রেন গাইবান্ধা জেলায় থামে: লালমনি এক্সপ্রেস, রংপুর এক্সপ্রেস ও বুড়িমারী এক্সপ্রেস।
গাইবান্ধায় দেখার মতো জায়গা: বালাসী ঘাট, ফ্রেন্ডশিপ সেন্টার, বর্ধন কুঠি, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্রের চরাঞ্চল, বিরাট রাজার ঢিবি (গোবিন্দগঞ্জ) এবং নলডাঙ্গা জমিদারবাড়ি (সাদুল্লাপুর)।
গাইবান্ধা ঘুরতে ১ দিন লাগে।
গাইবান্ধায় থাকার ব্যবস্থা: সদরে সাধারণ হোটেল ৬০০-১৫০০ টাকা (আনুমানিক)।
গাইবান্ধার বিখ্যাত খাবার: গাইবান্ধার পিঠা ও নদীর মাছ।
যেকোনো বিপদে ৯৯৯: পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস বা অ্যাম্বুলেন্স, কল ফ্রি। ট্যুরিস্ট পুলিশের ২৪ ঘণ্টার হেল্পলাইন ০১৩২০-২২২২২২, ফায়ার সার্ভিসের হটলাইন ১০২।
বিখ্যাত: গাইবান্ধার পিঠা ও নদীর মাছ
লোড হচ্ছে...
বিক্রেতারা নিজেরাই তথ্য দেন, আমরা যাচাই করি না। কেনার আগে নিজে নিশ্চিত হোন; ভুয়া বা আপত্তিকর কিছু দেখলে ⚑ রিপোর্ট করুন।
এই জেলায় হোটেল, রিসোর্ট বা ট্যুর গ্রুপ চালান? 💬 যুক্ত হতে হোয়াটসঅ্যাপ করুন